ফুলতলা স্বৈরাচারী সরকারের পালিত কিশোর গ্যাংয়ের ইয়াসিনের হাতে ফয়ছাল শেখ আহত


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠস্বর ডেক্সঃ 



খুলনা ফুলতলা পায় গ্রাম কসবায় একাধিক মামলার আসামির স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পালিত, সৈয়দ ইছরাফিল হোসেন রাজুর ছেলে, পায়গ্রাম কসবায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান, সৈয়দ ইয়াসিন এর হাতে একই গ্রামের বাসিন্দা ফয়ছাল শেখ মারাত্মক আহত হয়েছেন, শুক্রবার রাত ৯ টার সময় মোবাইলে কথা কাটাকাটি করে, সৈয়দ মিতুর ছেলে রাহাদের সঙ্গে, কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ইয়াসিনের সঙ্গে,  কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ইয়াসিন রাহাদকে হুমকি দিয়ে বলে তুই ঘরের থেকে বাইরে বের হয়ে আয়, আমি আসছি, তোকে কুচি কুচি করবো, তোর ভাই আলিফকে, যেমন কুচি কুচি করে মেরেছি, তোকেও সেই ভাবে কুচি কুচি করবো, কিছু সময় পর রাহাদের বাড়িতে এসে হাজির হয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান সৈয়দ ইয়াসিন, রাহাদ ঘরের মধ্যে ফয়ছাল শেখকে নিয়ে,ফয়ছাল শেখের বাড়ির সামনে তারি নানা বাড়ি,  মোবাইলে গেম খেলছিলো, কিশোর, গ্যাংয়ের প্রদান ইয়াসিন চিল্লাতে থাকে এই রাহাদ এই রাহাদ বাহিরে আয়,তখন ফয়ছাল শেখ বলে এখান থেকে যাও আমার নানী নামাজ পরছে, চিল্লাচিল্লি কোরো না, কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ইয়াসিন বলে দরজা খুলে এদিকে আসো কথা আছে, তখন ফয়সাল শেখ আর রাহাদ বাহিরে আশে, আসামাত্রই রাহাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ইয়াসিন, তখন ফয়ছাল শেখ রাহাদকে ছাড়িয়ে নিয়ে ঘরে যেতে বলে, কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ইয়াসিন, বলতে থাকে এই রাহাদ তুই আমার বাহিনীকে চিনিস না, তোর ভাই আলিফকে যেমন কুচিকুচি করেছি, তোকে ও কুচি কুচি করবো, ততক্ষণে রাহাদ ঘরের ভিতর চলিয়া যাই, তখন কিশোর গ্যাংয়ের ইয়াসিন বলে, ফয়ছাল শেখকে গালি দিয়ে তুই ঠেকানোর কে, বলেই তাকে ব্লেড দিয়ে একাধিক পোঁচ দেয়, তখন তার মা এবং লোকজন জড়ো হতে থাকলে, কিশোর গ্যাংয়ের ইয়াসিন পালিয়ে যায়, তারি পিতা সৈয়দ ইসরাহিল হোসেন রাজু স্বৈরাচারের হাসিনা সরকারের নেতাদের অর্থের যোগানদাতা, একাধিক মামলার আসামি,  মোবাইলে মানুষকে জিম্মি করে, প্রতারণা করে, কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে আনতেন মাদক ব্যবসা সহ, তার বিরুদ্ধে ফুলতলা থানা সহ  এবং জেলার বাহিরে একাধিক মামলা চলমান, তথ্য সন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তার ভয়ংকর রূপ, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে, তার বাড়িতে কিলিং মিশন চালালেও, মানুষ দেখানো একদিন দুদিন পর পর হানা দিত, কিন্তু তাকে গ্রেফতার করত না, স্বৈরাচারী নেতাদের তদবিরে, তার মোবাইল থেকে অবৈধ টাকা উত্তোলনের জন্য ম্যানেজার নিযুক্ত করা আছে, বিভিন্ন দোকানে খোঁজ নিলে জানা যায়, প্রতিনিয়ত মোট অংকের, টাকা উত্তোলন করে থাকেন, তথ্যসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে শীতের ঘাট এলাকায় বিকাশের দোকান থেকে মোটা অংকের টাকা উত্তোলন করার জন্য, তাদেরকেও কোর্টের ধারস্থ হতে হয়েছে এখন সে বিভিন্ন দোকান থেকে মোটা অংকের টাকা উত্তোলন করে যাচ্ছে, 
তারই ছেলে, কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান সৈয়দ ইয়াসিন, কিছুদিন আগে একটি মেয়েকে কিডন্যাপ করে, বাড়িতে এনে রাতের আঁধারে বিবাহ করে, এবং রমজানের আগেই এলাকা থেকে বিভিন্ন মানুষের কলা চুরি করে ধরা পড়ে, আহত ফয়সাল শেখের পিতা শেখ শহিদুল ইসলাম ফুলতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, অভিযোগে ১, নং আসামি ইয়াসিন(১৭) ২, আসামি ইসরাফিল হোসেন রাজু এবং অজ্ঞাত আরো ৫-৬ জন স্বৈরাচারী আমলে যেমন নেতাদের ম্যানেজ করে, ব্যবসা চলমান রেখেছিল সেরূপ এখনো ব্যবসা চলমান, রাজনৈতিক দলের নেতাদের ব্যবহার করা এবং ব্যবসা চালিয়ে রাখা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে আনাই তার কাজ, এখনো কিছু চিহ্নিত নেতা তার মাথার উপর হাত দিয়ে রেখেছে, এবং প্রকাশ্য শীতের ঘাট বাজারে হুমকি প্রদান করছে, ২ নং আসামি  সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, সে নিজেকে পাহাড় ভুলে দাবী করেন, এবং হুংকার দিয়ে বলতে থাকেন পাহাড়ের গায়ে ঢিল মারলে সেই ঢিল তারি গায়ে লাগে, এবং প্রশাসন দিয়ে তাকে কিছু করা যাবে না স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা এখনো বাংলার বুকে বুক ফুলিয়ে অপরাধের রাজত্ব কায়েম করে চলছে,
তার বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় ধর্ষণ মামলা এবং অসহায় ছেলেদের তার অনৈতিক কাজে লাগিয়ে, তাদের বাড়ির বউয়ের দিকে নজর দেওয়া কুপ্রস্তাব দেওয়ার ধর্ষণ চেষ্টা করা হয় এবং সেটা নিয়ে বিভিন্ন জন ‌মামলা পর্যন্ত করেন, এবং তার অবৈধ টাকা দিয়ে মিটিয়ে ফেলে, একাধিক বিয়ে করে তাদের দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, সন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এখনো পর্যন্ত তার একাধিক বউ আছে, শীতের ঘাটে বিকাশের দোকান দার দের জেল খাটিয়েছেন, অসহায় দোকানদারদের,৭৬ হাজার টাকা বিকাশে আনার পর, মোবাইলে জিম্মি করে তাদের বিকাশ নাম্বারে টাকা আনা নেওয়া করার জন্য, সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে, মাদক ব্যবসা সহ  তার অপরাধের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন, সে কখনো সাংবাদিক, কখনো মানবাধিকার, কর্মী, কখনো ঘটক, পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করেন, আহত ফয়সাল শেখের, পিতা শেখ শহিদুল ইসলামের কাছে সত্যের সন্ধানে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, আমার ছেলেকে, বিনা কারণে, প্রকাশ্য হত্যার চেষ্টা, করা হয়,সেতো,রাহাদ ইয়াসিনের ‌ মারামারি ‌ ঠেকাতে ‌ গিয়েছিল তাকে কেন ব্লেড দিয়ে ফোচালো, আবার কিছু দালাল তাকে দিয়েই তার অবৈধ টাকা খেয়ে উল্টা আমাদের নামে অভিযোগ করিয়াছে, এবং থানায় সুপারেশ করাচ্ছে, তার অপরাধ চিত্ত তুলে ধরতে স্বৈরাচারী  দালালদের মুখোশ উন্মোচনে সত্যের সন্ধানে টিম কাজ করছে, আরো তথ্য পেতে চোখ রাখুন, আমাদের পেজে


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ