1
2
| প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ইং
হয়রানি বন্ধে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ: গ্রেফতারের আগে অনুমতি নিতে হবে আদালতের
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
অনলাইন ডেস্ক | দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর
ঢাকা: দেশের মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতার ইতিহাসে যোগ হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক ও সংবাদপত্র প্রকাশকদের (মালিক) সুরক্ষায় আসছে যুগান্তকারী আইনি সুরক্ষা। এখন থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা বা অভিযোগ থাকলেও আদালতের আগাম অনুমতি ছাড়া সরাসরি কোনো সাংবাদিক কিংবা পত্রিকার মালিককে গ্রেফতার করতে পারবে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গণমাধ্যমকর্মীদের অযাচিত আইনি হয়রানি বন্ধ করা, স্বাধীন সংবাদ পরিবেশনের পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার্থেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূল আকর্ষণ ও প্রধান বিষয়সমূহ:
- আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশের বাধ্যবাধকতা: কোনো তথ্য বা খবরের জের ধরে হুট করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। আইন অনুযায়ী প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতের অনুমতি মিললেই কেবল গ্রেফতারের বিষয়টি বিবেচিত হবে।
- হয়রানিমূলক মামলার অবসান: বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সাংবাদিক ও প্রকাশকরা যে ভিত্তিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার মুখোমুখি হন, নতুন এই নিয়মে সেই আইনি হয়রানির পথ বন্ধ হবে।
- প্রকাশকদের সুরক্ষা: শুধু মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকই নন, সংবাদপত্র এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রকাশকদেরও এই আইনি সুরক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে, যা গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করবে।
- স্বাধীন ও নির্ভীক সাংবাদিকতা: কোনো প্রকার ভয়-ভীতি বা রাজনৈতিক চাপের মুখে না পড়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এটি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি বড় আত্মবিশ্বাসের কারণ হবে।
বিশ্লেষকদের মতামত:
সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, আদালতের অনুমতি ছাড়া গ্রেফতার না করার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। এটি যেমন পেশাদার সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা দেবে, তেমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের দমনের প্রবণতাও অনেকাংশে কমাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস এম জামান
প্রধান সম্পাদক
যোগাযোগ: Head Office:
86/ purana palton,Dhaka 1000
মোবাইল: 01906337172
ইমেইল: pratidinerkonthosor@gmail.com
©দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠস্বর