এম এ সিদ্দিক,খাগড়াছড়িঃ
গাছের কাজ করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়ার দিনমজুর জাহিদুল ইসলাম টুটুল (৪২)। দুর্ঘটনায় তাঁর দুই পায়ের হাড় ও বুকের হাড় ভেঙে গেছে। অর্থাভাবে উন্নত ও পরবর্তী চিকিৎসা করাতে না পেরে বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। তাঁর এই অসহায়ত্বে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ৫ সদস্যের পুরো পরিবার এবং একমাত্র ছেলের হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হলেও টাকার অভাবে পরবর্তী অপারেশন ও নিয়মিত চিকিৎসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। জাহিদুলের দৈনিক শ্রমের আয়ের ওপরই নির্ভর করত তাঁর পাঁচ সদস্যের সংসার। কিন্তু বিছানায় পরাধীন হয়ে পড়ে থাকায় এখন ডাল-ভাত জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি।
এর চেয়েও বড় শঙ্কার বিষয় হলো, পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষটি শয্যাশায়ী হওয়ায় থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ। অত্যন্ত মেধাবী এই শিশুটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করছে এবং ইতিমধ্যে পবিত্র কোরআনের ৫ পারা মুখস্থ করেছে। কিন্তু বাবার চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে না পারলে অবুঝ এই শিশুটির কোরআনে হাফেজ হওয়ার স্বপ্নও আজ অন্ধকারের মুখে।
পরিবার এবং স্থানীয় সমাজ কমিটির পক্ষ থেকে আকুল আবেদন জানানো হয়েছে, সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও হৃদয়বান ব্যক্তিরা যদি একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তবে হয়তো আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন জাহিদুল। বেঁচে যাবে একটি অসহায় পরিবার ও একটি শিশুর স্বপ্ন।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:
সামান্য একটু সহযোগিতা হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একজন অসুস্থ শ্রমিকের সুস্থতা, একটি পরিবারের অন্নসংস্থান এবং একটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ। আসুন, মানবতার টানে এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াই।