1
2
| প্রকাশের তারিখঃ ১৮ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ইং
শিমুলবাক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মুনসুর আল রুবেল
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।
এখনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কোন দিন তারিখ ঠিক হয়নি তবুও প্রচার প্রচারণায় সরব রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা তারা নানান ভাবে ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে মাঠপর্যায়ে ভোটারদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। সুনামগঞ্জের প্রতিটি উপজেলার ইউনিয়ন গুলো এক নির্বাচনী আমেজে মোড় নিয়েছে, সরেজমিনে কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে ফিরে দেখা যায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় এই ইউনিয়নটি বেশ সরগরম।
এখানে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় দেখা যাচ্ছে একজন, নতুনত্বের মধ্যে একজন শিক্ষানুরাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী ব্যাক্তিকে যিনি হলেন মুনসুর আল রুবেল। ইউনিয়নের ভোটারদের কাছ থেকে জানা যায় তিনি দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা এবং ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকেই তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। তিনি শিমুলবাক ইউনিয়নের তেরহাল গ্রামের মরহুম সাহিদ মিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র।
স্থানীয়দের মতে, শিমুলবাক ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মুনসুর আল রুবেলের মতো একজন সৎ, যোগ্য ও দূরদর্শী ব্যক্তি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত হতে পারেন। তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এই সম্ভাব্য প্রার্থী ভদ্র, অমায়িক ও মৃদুভাষী ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাঁকে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
শিমুলবাক ইউনিয়নের অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, একজন চেয়ারম্যানকে জনবান্ধব ও প্রশাসনিক দক্ষতাসম্পন্ন হতে হয়। তাঁদের মতে, মুনসুর আল রুবেলের মধ্যে সেই সক্ষমতা রয়েছে। তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি; বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। পরিশ্রমী ও ইতিবাচক মানসিকতার অধিকারী হওয়ায় দল-মত নির্বিশেষে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে এবং জনগণের বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হবে। মাঠপর্যায়ে তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা থাকায় তিনি প্রার্থী হলে নির্বাচনে শক্ত অবস্থানে থাকবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য একজন স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রার্থী প্রয়োজন। সেই প্রত্যাশার সঙ্গে মুনসুর আল রুবেলের সামাজিক কর্মকাণ্ড ও ব্যক্তিগত আচরণের যথেষ্ট মিল রয়েছে বলে তারা মনে করেন।
যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন প্রসঙ্গে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জোরালো প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিমুলবাক ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং একটি আধুনিক, জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্যে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা অব্যাহত থাকলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে শিমুলবাক ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস এম জামান
প্রধান সম্পাদক
যোগাযোগ: Head Office:
86/ purana palton,Dhaka 1000
মোবাইল: 01906337172
ইমেইল: pratidinerkonthosor@gmail.com
©দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠস্বর