প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
মোঃ শাহিনুর রহমান (শাহিন) যশোর :
যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার মশ্বিম নগর ইউনিয়নের খাঁপাড়া এলাকায় এক যুবকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মাসুম রেজা ওরফে মাসুম বিল্লাহ, যিনি স্থানীয় আব্দুল ওহাব মোড়লের ছেলে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে তাকে প্রকাশ্যে দাপট দেখাতে দেখা গেছে বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। ছবিটি ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবক এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে মাদক ব্যবসা, ইয়াবা সরবরাহ এবং চাঁদাবাজির সাথে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। এলাকাবাসীর দাবি, তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।
যারা নিয়মিত মাদক কেনাবেচা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত।
এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
চাঁদা না দিলে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
ছবিতে দেখা আচরণকে কেন্দ্র করে অনেকেই বলছেন, তিনি প্রকাশ্যে আইনের তোয়াক্কা করছেন না।
যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
এ কারণে এখনো তার একটি প্রভাব বলয় রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে তার প্রভাব প্রতিপত্তি এখনো কমেনি; সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় দাপট দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল।
তারা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মনিরামপুর থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী আশা করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
যাতে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
ছবিটি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
সাধারণ মানুষ এখন প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।
তারা চান, অপরাধ যেই করুক না কেন, আইনের আওতায় আনা হোক।