1
2
| প্রকাশের তারিখঃ ১২ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ইং
সাতক্ষীরা অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজে সনদ জালিয়াতি: এমপিও ভুক্ত,বেতন ৩ বছর পর পর- পাঠদান শূন্য
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
মোঃ আব্দুর রহমান
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হয়ে বছরের পর বছর বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তারা বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৬ সালে সুরাইয়া সুলতানা জাল সনদের মাধ্যমে গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে এমপিওভুক্ত হন। যদিও কলেজে ওই বিষয়টি নেই, তবুও গত ১৯ বছর ধরে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন। ২০১৭ সালের ২ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক পত্রে তার উত্তোলিত সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি। বরং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে তিনি জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন।
এছাড়া আরও জানা গেছে, হুমায়ুন কবির পরিসংখ্যান বিষয়ে এবং শাহাজান কবির অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোলে এমপিওভুক্ত হলেও কলেজে এসব বিষয় নেই। ফলে তিনজনই দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান ছাড়াই বেতন তুলছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী জানান, “এরা কলেজে কোনো ক্লাস নেন না। শুধু এমপিওভুক্ত পদ ধরে রেখে নিয়মিত সরকারি টাকা তুলছেন।”
অভিযোগের বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোয়াইব আহমাদ বলেন, “দায়িত্ব নিতে কেউ আগ্রহী নয়, তাই সুরাইয়া সুলতানাকে বরখাস্ত করা যাচ্ছে না।”
যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুরাইয়া সুলতানা জাল সনদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার সনদ সঠিক। আর বেতন-ভাতা ফেরতের বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস এম জামান
প্রধান সম্পাদক
যোগাযোগ: Head Office:
86/ purana palton,Dhaka 1000
মোবাইল: 01906337172
ইমেইল: pratidinerkonthosor@gmail.com
©দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠস্বর