1
2
| প্রকাশের তারিখঃ ০৪ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ইং
মনপুরার কলাতলীতে চাঁদা না পেয়ে ৪ হাজার একর জমির আমন চাষ বন্ধ
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
মনপুরা উপজেলা চাঁদা না দেওয়ায় উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার একর জমির চাষ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভোলা জেলা মনপুরা উপজেলার ৫ নং চর কলাতলী ইউনিয়ন এ সংকর মাষ্টার এবং ওসমান ডাক্তার কে চাঁদা না দেওয়ায় ইউনিয়নের ৮ টি ওয়ার্ড এর প্রধান ফসল আমন ধান চাষের ৪ হাজার একর জমির প্রস্তুুতি চাষ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় লোকজন । এতে কলাতলী ইউনিয়ন এর ১০ হাজার কৃষকের ৪ হাজার একর জমির আমন ধান চাষাবাদ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কলাতলী ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা নাজু মাঝি, করিম উল্লাহ,এমরান বলেন। ২০২৪ সালে কলাতলী নতুন ইউনিয়ন হিসেবে ঘোষণা হওয়ার আগে থেকে এবং ইউনিয়ন হওয়ার পর থেকে কিছু কিছু লোক কিছু কিছু রুপ নিয়া ভিবিন্ন মানুষ থেকে চাঁদা কালেকশন করে নেয়। এই চাঁদা নেওয়ার সময় সবাইকে বলে কলাতলীর ভয়াধারদের নামে একটি মামলা আছে ওই মামলা চালাতে গিয়ে এই টাকা নিচ্ছে। কিন্তু এই কলাতলী যখন বাগান ছিলো ২০০৩ সালে জখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো তখন বাচ্ছু চৌধুরী সাহেব সভাপ্রতি ছিলো। তখন তার নেত্রীত্তে এবং খালেক চেয়ারম্যান এর নেত্রীতে এই চরে সাধারণ লোকজন উঠার চাঞ্চ পায়। এর পর জখন ফরেস্টারের সাথে ভয়াদারদের মামলা হয়। তখন সাধারন মানুষকে বলছে আপনারা গিয়ে চরে জমি দখল করেন।
সেই সময় জমি দখল করতে সবাই আসেনাই। যাহারা ভয়াদারদের মধ্যে অসহায় আছে তারাই আসছে এই চরে। তারা চরে এসে দীর্ঘ দিন কষ্ট করার পর বাগান ছাপ করে নিছে। এর পর চর টিতে বসবাসের উপযোগী হয়েছে। এখন বিভিন্ন নেতা কর্মীরা কষ্ট করে জঙ্গল ছাপ করা অসোহায় মানুষের জমি দখল করার চেষ্টা করেন। এই কয়দিন কালেকশন করছে বাচ্চু চৌধুরীর নাম ভাঙ্গাইয়া। কিন্তু গত কাল বুধবার রাতে জানা গেছে সে এটার সাথে জড়িত নেই এবং তার কোন হাত নেই । বাচ্চু চৌধুরী বলছে আমি কেন সাধারণ জনগণ এর বিপক্ষে যাবো। কলাতলীর এই জনগণত আমার আমি বসাইছি এই জনগনকে। তাহইলে এই জনগণের উপর কারা এই কাজ করে তোমরা এইটার প্রতিবাদ করো। এই কারনে আমরা সাধারণ জনগণ আজকে এই খানে জড়ো হয়েছি। আমাদের আকুল দাবি মনপুরা ইউ এন ও স্যারের কাছে এই খানে কেউ বড়লোক না সবাই গরীব অসহায়। এই জমি গুলো বন্দবস্ত দেয়া হয় সবাই জেন চাষাবাদ করে দুই বেলা দুই মুঠো খেয়ে বাছতে পারে। না হলে আমরা সারা জীবন চাঁদা বাজদের হাতে এই ভাবে হেনস্তার শিকার হতে হবে। সংকর মাষ্টার, ওসমান ডাক্তার , ভবেস মজুমদার সহ আরও অনেকে জখন জেই দল ক্ষমতায় থাকে তাদের নাম ভাঙ্গাইয়া এই মানুষের কাছথেকে মোটা অংকের চাঁদা নিয়ে থাকে।
চাঁদা দিলে জমিতে চাষ হয় চাঁদা না দিলে জমিতে চাষ হয় না। এখন সাধারন মানুষ জমি চাষ দিতে পারতেছেনা বীজ ধানের অঙ্কুর বড়ো বড়ো হয়ে গেছে ধান বপন করতে পারতেছে না। এই অঙ্কুর নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ এবার চাষ করতে পারবেনা। প্রথম আওয়ামিলীগ এর সময় আলাউদ্দিন চেয়ারম্যান ক্ষমতায় ছিলো তার নাম ভাঙ্গাইয়া করছে এর পর আলমগীর চেয়ারম্যান ছিলো তার নাম ভাঙ্গাইয়া করছে ।এখন বাচ্চু চৌধুরী এবং রাজীব চৌধুরীর নাম ভাঙ্গাইয়া চাঁদা বাজি করে। মানুষকে জমি চাষ দিতে দেয়না। তারা নিজেরা ট্রাক্টর এনে বলে তাদের ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ দিতে হবে না দিলে চাষ বন্ধ থাকবে। প্রাতি বছর ১ কানি জমি চাষ বাবধ ট্রাক্টর খরচ নিত ৩ হাজার টাকা আর এই বছর নাকি ৫ হাজার টাকা করে তাদের কে দিতে হবে। ইউএনও স্যার এবং প্রশাসন এর কাছে এই চাঁদা বাজির বিচার চাই।
একই গ্রামের বাসিন্দা জাহেদা খাতুন বলেন বুধবার দুপুর বেলায় সংকর মাষ্টার এবং ওসমান ডাক্তার সহ সরকারি সারবেয়ার আমার বাড়িতে লাল পতাকা উত্তলন করে দেয়। এই বাড়ি আমি কিনে নিয়েছি। এখন ওসমান ডাক্তার দাবি করে এই বাড়ি নাকি তার। এবং আমার কাছে বাচ্চু চৌধুরীর নাম বলে চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে রাজি না হলে আমার বাড়িতে লাল পতাকা উত্তলন করে দিয়ে আসে। আমি অসহায় আমি এই চাঁদা বাজির তীব্র নিন্দা জানাই।
এই বিষয়ে ওসমান ডাক্তার বলেন,আমরা কারো কাছ থেকে চাঁদা নেইনা। কলাতলীর চরের জমি নিয়ে মামলা আছে সেই মামলার খরচ এর জন্য সকলের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। আমাদের কলাতলীর ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি আছে। সেই কমিটির সভাপতি বাচ্চু চৌধুরী। বাচ্চু চৌধুরী এই বিষয়ে সব জানেন।
এই বিষয়ে বাচ্চু চৌধুরী মুঠোফোনে জানান,আমি চাঁদা বাজির বিষয়ে কিছুই জানিনা। এই দেশের জনগণ আমার আমি কেন তাদের কাছ থেকে চাঁদা নেবো। যে বা যাহারা কলাতলী তে চাঁদা বাজি করবে তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যাবস্থা নেব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস এম জামান
প্রধান সম্পাদক
যোগাযোগ: Head Office:
86/ purana palton,Dhaka 1000
মোবাইল: 01906337172
ইমেইল: pratidinerkonthosor@gmail.com
©দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠস্বর